তাহিরপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনৈতিক সুবিধা দাবী করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন
আমির হোসাইন
স্টাফ রিপোর্টার
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কতিপয় অনৈতিক সুবিধাভোগী ও তাদের ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (১৬ আগস্ট)সকালে উপজেলার সচেতন জনগণের ব্যানারে হাসপাতালের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা জানান,একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অবৈধ সুবিধা আদায় করে আসছিল। সম্প্রতি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্থানীয় প্রশাসনের কঠোর অবস্থানের কারণে এই অনৈতিক সুবিধা আদায় বন্ধ হয়ে যায়। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ওই চক্রটি এখন হাসপাতাল ও কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার এবং ষড়যন্ত্র করছে।
বক্তারা আরও বলেন,হাসপাতালকে ঘিরে একটি গোষ্ঠী নিজেদের অনৈতিক সুবিধা বঞ্চিত হওয়ায় ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তারা হাসপাতালের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত করার পাশাপাশি বিভিন্নভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা চালাচ্ছে। একই সাথে তাহিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা : মির্জা রিয়াদ হাসান এর বিরুদ্ধেও বিভিন্ন ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে, যাহা সত্য নয়। তিনি অত্যন্ত মেধাবী ও একজন পরিশ্রমী ডাক্তার। তিনি আসার পর থেকে সেবার মান বেড়েছে বলেও দাবি জানান বক্তারা।
মানববন্ধনে উপস্থিত শহিদ মেম্বার বলেন, ‘আমরা লক্ষ্য করছি, কিছু ব্যক্তি হাসপাতালের পরিবেশ নষ্ট করার জন্য অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। তারা চায় না যে হাসপাতাল সুষ্ঠুভাবে চলুক। আমরা চাই প্রশাসন এই চক্রের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হউক।
মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী প্রদিপ মেম্বার বলেন,হাসপাতাল এখন আগের চেয়ে অনেক উন্নত সেবা দিচ্ছে। কিছু অসাধু লোক এই উন্নতি সহ্য করতে পারছে না। তারা হাসপাতালের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করছে। আমরা তাদের এই হীন কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই।
মানববন্ধনে তাহিরপুর উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর আলম, সুনিল বাবু, এমরান মিয়া, আশিক নুর, নাদিম, কাশেম মিয়া, আলমগীর, আলী রাজ, লুৎফর মিয়া, মঞ্জু, মিজন, লিপন, মিরাজ আলী, আবুল কালাম, ফজু মিয়া,লেদু মিয়া, বাবুল মেম্বার, আবু জহরসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা লোকজন জানান,হাসপাতালে ডাক্তার এমনিতেই নাই এর মধ্যে এক ডাক্তার কে নিয়ে কত মিথ্যা বানোয়াট কথা বলে কত কিছু করতেছে। এতে করে আমরা গরীব মানুষরা দুর্ভোগের শিকার হবো যদি ডাক্তার চলে যায়। ডাক্তার নাই এ নিয়ে মানববন্ধন করে না এরা কেমন মানুষ। ডাক্তারের ভুল হলে সংশোধনের জন্য বলতে পারতো। আসল কারন হল অন্যায় ভাবে টেন্ডার না দেয়া ও অনৈতিক সুবিধা না দেয়াই ডাঃ মির্জা রিয়াদ হাসান এর কাল হলো। কথায় আছে পাঠা হিলে ঘসাগষি মরিচের কাম শেষ।
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন